ভূমিকা:
আমাদের চারপাশে থাকা জীববৈচিত্র্যের মধ্যে মশা একটি পরিচিত এবং অত্যন্ত বিরক্তিকর প্রাণী। এই ক্ষুদ্রতম পোকা আমাদের জীবনকে নানা ভাবে প্রভাবিত করে। মশা সাধারনত স্যাঁতসেঁতে, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জন্মায় এবং তার কামড়ের মাধ্যমে বিভিন্ন রোগবালাই ছড়াতে পারে। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, জিকা ভাইরাস—এমন অনেক মারাত্মক রোগের জন্য মশার কামড় দায়ী।
মশার এ অপরিচ্ছন্নতা আমাদের পরিচ্ছন্নতার অভাবকে তুলে ধরে। মানুষকে সচেতন করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এই কবিতাটি রচনা করা হয়েছে। কবিতাটিতে মশার জীবনচক্র, তার প্রভাব এবং আমাদের স্বাস্থ্য সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। আমাদের নিজেদের জীবনযাত্রা এবং পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার মাধ্যমে এই ক্ষতিকারক পোকা থেকে বাঁচার উপায় সন্ধান করা দরকার।
এই কবিতার মাধ্যমে আমরা মশার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে এবং পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতন হতে পারি। কবি বিপ্লব কবিরাজের "মশা" কবিতাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করা আমাদের দায়িত্ব।
মশা
বিপ্লব কবিরাজ
মশা স্যাতসেতে জায়গায়,
হাজার লক্ষ কোটি জন্মায়।
মশা মানুষের সহায়তায়,
তাদের জীবন লাভ হয়।
মানুষ থাকে অপরিচ্ছন্নতায়,
তাই মশা মানুষকে কামড়ায়।
হাজার লক্ষ মশার কামড়ে,
রোগ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
রাতে কি আর পড়া যায়?
শুধু শরীরটাকে জ্বালায়।
ওদের সাথে কি পারা যায়?
এদিক-ওদিক থেকে কামড়ায়।
মশার কামড়ের ভয়,
মশারি টানাতে হয়।
মশা মানুষকে কামড়ায়,
তাই ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়া হয়।
যদি সুস্থ থাকতে হয়,
থাকা চাই পরিচ্ছন্নতায়।
মশা স্যাতসেতে জায়গায়,
হাজার লক্ষ কোটি জন্মায়।
সারমর্ম:
কবিতাটির সারমর্ম হলো মশার জীবনচক্র এবং তার প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা। মশা স্যাঁতসেঁতে এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে জন্মায়, যা মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তাদের কামড়ে বিভিন্ন রোগ যেমন ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া ছড়ায়। কবিতায় বলা হয়েছে যে, মানুষের অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস এবং পরিবেশ মশার বংশবিস্তারকে উৎসাহিত করে।
কবিতাটি আমাদের সতর্ক করে যে, সুস্থ থাকতে হলে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। মশার কামড়ের ফলে যে রোগ সৃষ্টি হয়, তা থেকে বাঁচার জন্য প্রয়োজন সচেতনতা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এভাবে, কবিতাটি আমাদের জীবনে পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব ও মশার বিরুদ্ধে সংগ্রামের আহ্বান জানায়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন