মানুষ হবো || বিপ্লব কবিরিাজ

 

ভূমিকা

"মানুষ হবো" কবিতাটি মানবিকতার গভীরতাকে ধারণ করে রচিত একটি চেতনা জাগানিয়া সৃষ্টি। এটি এমন এক প্রতিজ্ঞার গল্প বলে, যেখানে মানুষ তার সত্যিকার সত্তার সন্ধানে এগিয়ে যায়। কবিতার প্রতিটি পঙক্তি জীবনের সংগ্রাম, ন্যায়পরায়ণতা এবং মায়ার বন্ধনের কথা তুলে ধরে।

এখানে মানুষ হওয়ার অর্থ শুধুমাত্র শারীরিক বা সামাজিক অস্তিত্ব নয়, বরং একটি আদর্শ, একটি মানবিক চরিত্রকে গড়ে তোলার প্রতিজ্ঞা। নিজের ছোট দুঃখ তুচ্ছ করে, অন্যের জন্য ভালো কিছু করার মানসিকতা—এটাই মানুষের প্রকৃত গুণ।

কবিতাটি কেবল ব্যক্তি পর্যায়ে নয়, সমষ্টিগতভাবে সমাজের জন্যও একটি বার্তা দেয়। এটি বলে, হিংসা-বিদ্বেষের বাঁধন ছেড়ে ভালোবাসা, শিক্ষা এবং ন্যায়ের পথে চলতে হবে। কবিতার মূল লক্ষ্য মানুষের হৃদয়ে আলোর দীপ জ্বালানো এবং একে অপরের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান জানানো।

"মানুষ হবো" কবিতার প্রতিটি শব্দে লুকিয়ে আছে একটি স্বপ্ন—একটি সুন্দর পৃথিবীর, যেখানে মানুষ হবে প্রকৃত অর্থে মানবিক।



মানুষ হবো

বিপ্লব কবিরিাজ

মানুষ হবো, হৃদয়ে ধারণ করবো আলো,
মিথ্যের পথে নয়, সত্যের পথে চলো।
জীবনের প্রতিটি বাঁক, প্রতিটি ক্ষণ,
বুনবো ন্যায়ের গল্প, হবো মানবতার মন।

মানুষ হবো, হিংসা-বিদ্বেষের বাঁধন ছাড়িয়ে,
মায়ার স্রোতে ভাসবো, সকলকেই জড়িয়ে।
কেউ যেন কষ্ট না পায় আমার কোনো কাজে,
প্রতিটি দিন রাঙাবো ভালোবাসার সাজে।

মানুষ হবো, স্বপ্ন নয় শুধু চোখের দেখায়,
শিক্ষা আর আদর্শে, জীবনকে শেখায়।
নিজের ছোট দুঃখ ভুলে অন্যের পাশে দাঁড়াই,
তাদের হাসির খোঁজে নিজেকে বিলিয়ে যাই।

মানুষ হবো, মানে তো সহজ পথ নয়,
কঠিনতা বরণ করেও দেবো মানবের জয়।
নিজের মধ্যে খুঁজবো প্রকৃত সেই সত্তা,
যে সত্তা দেবে পৃথিবীকে নতুন জীবন বৃত্তা।

মানুষ হবো, তাই তো শপথ হৃদয়ে লিখি,
পথ যত কঠিন হোক, থামবো না একটুও বিভ্রান্তিকি।
জীবনের গতি হোক মানবতার তরে,
মানুষ হয়ে বাঁচবো, এই পৃথিবীর পরে।




কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন